Wednesday, February 12, 2020

বিশ্ব জয় করে দেশে ফিরলেন যুবা টাইগাররা

বিশ্ব জয় করে দেশে ফিরলেন যুবা টাইগাররা


বিশ্বকাপ জয় করে দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ ক্রিকেট দল। ফ্লাইট আধঘণ্টা বিলম্ব হওয়ার কথা থাকলেও আগের সময় বুধবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৪টা ৫৫টা মিনিটেই আকবর আলীদের বহনকারী এমিরেটস এয়ারলাইন্সের ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। জানা যায়, অতরণের সময় বিমানটিকে ওয়াটার স্যালুট দেয়া হয়।
বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের বরণ করে নিতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন, প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দিন চৌধুরী সুজন সহ বিসিবির উর্ধ্বতন কমকর্তাবৃন্দ।

ক্রিকেটারদের বরণ করে নেয়ার পর বিমানবন্দরে তাদের সঙ্গে নিয়ে কেক কাটবেন বিসিবি সভাপতি। সেখানকার আয়োজন শেষ করেই ক্রিকেটারদের নিয়ে যাওয়া হবে মিরপুরের বিসিবি কার্যালয়ে। সেখানেও তাদের জন্য আয়োজনের ব্যবস্থা রেখেছে বিসিবি। সেখানকার আয়োজন শেষ হলে যতদ্রুত সম্ভব ক্রিকেটারদের পরিবারের কাছে পাঠানোর ব্যবস্থা করবে বিসিবি।

গত ০৯ ফেব্রুয়ারি অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের ফাইনালে ভারতকে ৩ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবারের মতো কোনো বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পায় বাংলাদেশ।

Friday, February 7, 2020

 সেই হিরো চিকিৎসকের মৃত্যুর খবরে চীনে ক্ষোভ

সেই হিরো চিকিৎসকের মৃত্যুর খবরে চীনে ক্ষোভ

করোনাভাইরাস সম্পর্কে প্রথম সতর্কবার্তা দেওয়া চিকিৎসক লি ওয়েনলিয়াং। ছবি: সংগৃহীতকরোনাভাইরাস সম্পর্কে প্রথম সতর্কবার্তা দেওয়া চিকিৎসক লি ওয়েনলিয়াং। ছবি: সংগৃহীতকরোনাভাইরাস সম্পর্কে প্রথম সতর্কবার্তা দেওয়া চীনা চিকিৎসক লি ওয়েনলিয়াংয়ের মৃত্যুতে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছে চীনের সাধারণ মানুষ। বলা হচ্ছে, লি ওয়েনলিয়াংয়ের মৃত্যুর কারণও ওই করোনাভাইরাসই। তাঁর মৃত্যুর খবর প্রকাশের পর থেকেই ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানাতে শুরু করে চীনের সাধারণ মানুষ। আজ শুক্রবার বিবিসি অনলাইনের প্রতিবেদনে এই কথা জানানো হয়।

করোনাভাইরাসের উৎপত্তিস্থল চীনের হুবেই প্রদেশের রাজধানী উহান। উহান সেন্ট্রাল হসপিটালে চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে কর্মরত ছিলেন লি। এই হাসপাতালেই পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হন তিনি।
গত ডিসেম্বরে লি ওয়েনলিয়াং তাঁর সহকর্মীদের একটি সতর্কবার্তা পাঠান, যেখানে তিনি সার্সের (প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের একটি প্রজাতি) মতো একটি ভাইরাসের কথা জানান। কিন্তু এ জন্য উল্টো তাঁকে হেনস্তার শিকার হতে হয়। চীনের জননিরাপত্তা ব্যুরো তাঁকে ডেকে ‘গুজব না ছড়ানোর’ জন্য সতর্ক করে এবং একটি চিঠিতে সই করতে বাধ্য করে, যেখানে তিনি মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হয়।
লি ওয়েনলিয়াংয়ের দেওয়া সতর্কবার্তা যে গুজব ছিল না, তা তো এখন অসংখ্য আক্রান্ত ব্যক্তি ও মৃত্যুর ঘটনাই সাক্ষ্য দিচ্ছে। এ অবস্থায় চীনের সরকারের বিরুদ্ধে এত বড় একটি ঝুঁকিকে গুরুত্ব না দেওয়া এবং শুরুতে এটিকে গোপন রাখার চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে। খোদ দেশটির নাগরিকেরাই সরকারের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ তুলছেন। এত দিন বিষয়টি চাপা থাকলেও লি ওয়েনলিয়াংয়ের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে তা ভাষা পেতে শুরু করেছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে চীনের দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরুর কথা জানিয়েছে।
এ বিষয়ে লির বাবা লি শুইং বিবিসিকে বলেন, ‘তাঁর কথা কি এখন বাস্তবে পরিণত হয়নি? আমার ছেলে ছিল অসাধারণ।’
চীনের সরকার এরই মধ্যে অবশ্য স্বীকার করে নিয়েছে যে, ভাইরাসটির সংক্রমণ ঠেকাতে ব্যবস্থা গ্রহণে ঘাটতি ছিল।
কিন্তু সাধারণ মানুষ শুধু স্বীকারোক্তিতে শান্ত হবে কেন। কারণ, এরই মধ্যে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে শুধু চীনেই মারা গেছে ৬৩৬ জন। আর আক্রান্তের সংখ্যা ৩১ হাজার ছাড়িয়ে গেছে। এই প্রেক্ষাপটে দীর্ঘদিন চীনে যা দেখা যায়নি, সেই বিক্ষোভই দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে সাধারণ মানুষ সরকারের বিরুদ্ধে তাদের ক্ষোভ উগরে দিচ্ছে। এরই মধ্যে চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ওয়েইবুতে সবচেয়ে জনপ্রিয় হয়েছে যে দুটি হ্যাশট্যাগ, তার মূল কথাই হচ্ছে ‘সরকারের উচিত লিওয়েনলিংয়ের কাছে ক্ষমা চাওয়া’ এবং ‘বাক্‌স্বাধীনতা চাই’। তবে চীন সরকারও বসে নেই। এই হ্যাশট্যাগ মুছে ফেলার কাজটি তারা দ্রুততার সঙ্গে করছে।
বিবিসি অনলাইন জানাচ্ছে, শুক্রবার ওয়েইবুতে ঢুকে দেখা যায়, ওই দুটি হ্যাশট্যাগের অধিকাংশই মুছে ফেলা হয়েছে। মাত্র কিছুসংখ্যক টিকে আছে। লাখ লাখ ব্যবহারকারীর ওয়াল থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে সেগুলো।
ওয়েইবুতে প্রকাশিত এক পোস্টে লেখা হয়েছে, ‘এটি একজন হুইসেলব্লোয়ারের মৃত্যু নয়, এটি এক নায়কের মৃত্যু।’
অনেকের পোস্টেই লেখা হয়েছে, ‘তুমি কি বুঝতে পারছ? সামলাতে পারবে?’ এই বাক্যের উল্লেখ সরাসরি সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে দেয়। কারণ, প্রথম সতর্কবার্তা দেওয়ার পর লি ওয়েনলিয়াংকে ‘অস্থিরতা’ ছড়ানোর অভিযোগে অভিযুক্ত করে এমন কথাই বলা হয়েছিল। সই দিতে বাধ্য করা হয়েছিল নিরাপত্তা বাহিনীর লেখা চিঠিতে।
উল্লেখ্য, গত ৩০ ডিসেম্বর লি একটি চ্যাট গ্রুপে বার্তা দিয়ে তাঁর সহকর্মী চিকিৎসকদের ভাইরাসটির ব্যাপারে সতর্ক করেন। ভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে তিনি তাঁর সহকর্মী চিকিৎসকদের সুরক্ষামূলক পোশাক পরার পরামর্শ দেন। এর চার দিন পর লিকে তলব করে জননিরাপত্তা ব্যুরো। ১০ জানুয়ারি লির কাশি শুরু হয়। পরদিন আসে জ্বর। দু দিন পর তিনি হাসপাতালে ভর্তি হন। ৩০ জানুয়ারি চিকিৎসক লির করোনাভাইরাসে সংক্রমিত হওয়ার বিষয়টি শনাক্ত হয়। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় লি চীনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ওয়েইবুতে তাঁর গল্প শেয়ার করেছিলেন। পোস্টে চিকিৎসাধীন অবস্থার একটি ছবিও দিয়েছিলেন। চীনের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় লি মারা যান।
অবৈধ ভবন বৈধ করতে রাজউকে জরিমানার সুপারিশ

অবৈধ ভবন বৈধ করতে রাজউকে জরিমানার সুপারিশ

অনুমোদন ছাড়া বা নিয়মের ব্যত্যয় করে নির্মিত ভবন অপসারণ করাই বিধান। কিন্তু রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) আওতাধীন এলাকায় এমন ভবন এত বেশি যে এ নিয়ে বিকল্প চিন্তা করতে হচ্ছে সংস্থাটিকে। যার অংশ হিসেবে উচ্চ হারে জরিমানা দিয়ে অনুমোদনহীন ভবন বৈধ করার সুপারিশ এসেছে। সংস্থাটির প্রক্রিয়াধীন বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা বা ড্যাপের (২০১৬-২০৩৫) খসড়ায় এ সুপারিশ করা হয়েছে। সুপারিশ অনুযায়ী, নির্মাণ ব্যত্যয়ের মাত্রার ওপর নির্ভর করবে জরিমানা। ব্যত্যয় করা অংশ ওই ভবন, পাশের ভবন ও পরিবেশের জন্য ঝুঁকির কারণ না হলে শুধু জরিমানা দিয়েই অনুমোদনহীন ভবন বা ভবনের অংশবিশেষের বৈধতা পাওয়া যাবে। আর কোনো ধরনের ঝুঁকি থাকলে ভবনের কাঠামোগত পরিবর্তন করতে হবে। সুপারিশে নিয়ম বা বিধি ভেঙে নির্মাণ করা ভবনগুলোকে তিন শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। শ্রেণিগুলো হলো নির্মাণ অনুমোদন না নেওয়ার পরও ইমারত নির্মাণ বিধিমালা অনুসরণ করা হয়েছে; অনুমোদন নেওয়া হয়েছে, কিন্তু নকশার ব্যত্যয় ঘটানো হয়েছে; অনুমোদন নেওয়া হয়নি, পাশাপাশি নির্মাণের বিধিও অনুসরণ করা হয়নি। এই তিন শ্রেণির ভবন জরিমানা দিয়ে বৈধতা পাবে। সুপারিশে ইমারত নির্মাণ ও বিধিমালা সংস্কার, ক্ষতিপূরণ দিয়ে ভবনের বৈধতা নেওয়ার ক্ষেত্রে পৃথক বিধিমালা প্রণয়ন ও মূল্যায়ন কমিটি গঠন, বিচ্যুতি অনুযায়ী ফি নির্ধারণ, তদারকি কমিটি গঠনসহ বেশ কিছু নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে মহাপরিকল্পনার ব্যত্যয় ঘটিয়ে, সরকারি জমি বা নাগরিক সুবিধার জন্য নির্ধারিত স্থান দখল করে, জলাশয় ভরাট করে, সিভিল এভিয়েশনের নির্ধারিত উচ্চতার সীমা লঙ্ঘন করে ভবন নির্মাণ করলে জরিমানা দিয়েও বৈধতা পাওয়া যাবে না। রাজউক এলাকার প্রায় ৯০ শতাংশ ভবনই কোনো না কোনো নিয়ম ভেঙে নির্মাণ করা হয়েছে। বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনার (ড্যাপ) এই সুপারিশকে স্বাগত জানিয়েছেন বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব প্ল্যানার্সের (বিআইপি) সভাপতি অধ্যাপক আকতার মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘সুপারিশটি ভালো। তবে খেয়াল রাখতে হবে, জরিমানা আদায়ের ক্ষেত্রে যেন দুর্নীতি বা স্বজনপ্রীতি না হয়। সব ভবনের মালিক যেন সমান ব্যবস্থার সম্মুখীন হন। পাশাপাশি যেসব ভবনের সেট ব্যাক বা অবৈধ অংশ ভাঙা প্রয়োজন, সেটিও ভাঙতে হবে। এভাবে শহর ক্রমান্বয়ে পরিকল্পিতভাবে গড়ার দিকে যাবে। অন্যদিকে উচ্চমাত্রার জরিমানার কারণে অন্যরাও নিয়ম মানতে আগ্রহী হবেন।’ খসড়া ড্যাপের তথ্য অনুযায়ী, রাজউকের আয়তন ১ হাজার ৫২৮ বর্গকিলোমিটার। এ এলাকায় ২০০৬ সালে মোট স্থাপনা ছিল ১১ লাখ ৯৬ হাজার ৪১২ টি। ২০১৬ সালে এটি বেড়ে হয়েছে ২১ লাখ ৪৫ হাজার ৭৪৬। এই সময়ে প্রতিবছর ৯৪ হাজার ৯৩৩টি নতুন স্থাপনা হয়েছে। কিন্তু রাজউক প্রতিবছর গড়ে সাড়ে চার হাজার ভবন নির্মাণের অনুমোদন দেয়। এই হিসাবে প্রতিবছর রাজউক এলাকায় প্রায় ৯০ হাজার স্থাপনা অনুমোদন ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছে। ড্যাপ ছাড়াও ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে আগস্ট পর্যন্ত একটি পৃথক জরিপ করেছিল রাজউক। দুই তলার ওপর ২ লাখ ৪ হাজার ১০৬টি ভবনের ওপর পরিচালিত এই জরিপের তথ্য অনুযায়ী, মিরপুর, মোহাম্মদপুর ও পল্লবী এলাকার ৯৪ দশমিক ৭৬ শতাংশ ভবন; রামপুরা, মতিঝিল, খিলগাঁও এলাকার প্রায় ৯৭ শতাংশ ভবন; ধানমন্ডি এলাকার প্রায় ৮৯ শতাংশ ভবন নকশার ব্যত্যয় ঘটিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। তবে রাজউক এলাকায় বেশির ভাগ বহুতল ভবন (১০ তলার ওপর) হয়েছে এক থেকে দুই দশকের মধ্যে। এমন ভবনেও নকশার ব্যত্যয় আছে। গত এপ্রিলে বনানীর এফ আর টাওয়ারে অগ্নিকাণ্ডের পর রাজউক এলাকার বহুতল ভবনের ওপর পরিচালিত জরিপে তার প্রমাণ পাওয়া গেছে। ওই জরিপ বলছে, রাজউক এলাকায় ১ হাজার ৮১৮টি বহুতল ভবন আছে, যার ৮৪ শতাংশই নকশার ব্যত্যয় ঘটিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। নকশার ব্যত্যয় ঘটিয়ে ভবন নির্মাণের পাশাপাশি অনুমোদন ছাড়া ভবন নির্মাণকে ‘ব্যাপক মাত্রার সমস্যা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে খসড়া ড্যাপে। এমন প্রেক্ষাপটে খসড়া ড্যাপে বলা হয়েছে, অনুমোদনহীন বা নকশার ব্যত্যয় ঘটিয়ে নির্মিত সব ভবন অপসারণ করলে মানবিক বিপর্যয় সৃষ্টি হতে পারে। বিপর্যয় ঠেকাতেই খসড়া ড্যাপে জরিমানা দিয়ে অনুমোদনহীন ভবন বৈধ করার সুপারিশ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রক্রিয়াধীন ড্যাপের প্রকল্প পরিচালক আশরাফুল ইসলাম। তিনি জানান, যে এলাকা থেকে জরিমানা আদায় করা হবে, সেই এলাকার উন্নয়নে এই জরিমানার টাকা ব্যয় করা হবে। সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে নগর বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক নজরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, অনুমোদনহীন বা নকশার ব্যত্যয় ঘটিয়ে নির্মাণ করা ভবনগুলো রাজউকের তদারকির অভাব ও অস্বচ্ছতার কারণেই হয়েছে। রাজউক যদি এই সুপারিশ বাস্তবায়ন করতে চায়, তবে সেটি গুলশান, বনানী, বারিধারার মতো উচ্চবিত্তদের এলাকা দিয়েই শুরু করতে হবে। পাশাপাশি রাজউক ঠিকমতো কাজ করছে, নাকি অর্থের বিনিময়ে মানুষকে হয়রানি করছে, সেটি তদারকির জন্যও একটি কমিটি থাকতে হবে।